Nur News Blog

variety

Sunday, March 30, 2025

আমার আশায় আশায় দিন যে গেল, আশা পূরণ ...

 

আমার আশায় আশায় দিন যে গেল, আশা পূরণ ...

"আশার শেষ প্রহর"

রাতের শেষ প্রহরে জানালার পাশে বসে আছে রাহাত। কফির কাপে ধোঁয়া উঠছে ধীরে ধীরে, ঠিক যেমন তার মনের ভেতর জমে থাকা হাজারো আশা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে।

সে প্রতিদিন আশায় আশায় বসে ছিল—একদিন অন্তত নীলা ফিরে আসবে। পাঁচ বছর কেটে গেছে। প্রতিটি সকাল শুরু হয়েছে এই বিশ্বাস নিয়ে, "আজ হয়তো…" কিন্তু দিনের শেষে সেই বিশ্বাসটাই ধূলিসাৎ হয়েছে।

নীলার সঙ্গে তার পরিচয়টা হুট করেই, ভার্সিটির ক্লাসরুমে। মেয়েটার হাসিটা ছিল অসম্ভব সুন্দর, যেন কেউ আঁকিয়ে দিয়েছে নিখুঁত তুলির টানে। রাহাতের পৃথিবী বদলে গিয়েছিল সেই হাসির পর। কিন্তু বাস্তবতা সবসময় রূপকথার মতো হয় না। ভালোবাসা ছিল, স্বপ্ন ছিল, কিন্তু সময় তাদের আলাদা করে দিল।

আজ এত বছর পরও রাহাত জানে না, নীলা কেমন আছে, কোথায় আছে। শুধু জানে, তার "আশায় আশায় দিন" কেটে গেছে, কিন্তু আশাটা কখনও পূরণ হয়নি।

আশা কি সত্যিই মরে যায়, নাকি কেবল রঙ বদলায়?

Saturday, March 8, 2025

সাগর কোলে জেগে উঠছে বিস্তীর্ণ ভূমি উজানের ঢল-বন্যায় ভারত থেকে হাজারো নদ-নদী দিয়ে ভাটিতে আসা কোটি কোটি টন পলিমাটি জমা হচ্ছে দক্ষিণের সমুদ্র উপকূলজুড়ে ইতোমধ্যে জেগে উঠেছে অন্তত ১০ হাজার বর্গ কি.মি. দ্বীপ ও চরভূমি : চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, খুলনা উপকূলে ভূমি জাগার হার ক্রমেই বাড়ছে বদলে যাবে দেশের অর্থনীতি

 

সাগর কোলে জেগে উঠছে বিস্তীর্ণ ভূমি উজানের ঢল-বন্যায় ভারত থেকে হাজারো নদ-নদী দিয়ে ভাটিতে আসা কোটি কোটি টন পলিমাটি জমা হচ্ছে দক্ষিণের সমুদ্র উপকূলজুড়ে ইতোমধ্যে জেগে উঠেছে অন্তত ১০ হাজার বর্গ কি.মি. দ্বীপ ও চরভূমি : চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, খুলনা উপকূলে ভূমি জাগার হার ক্রমেই বাড়ছে

বদলে যাবে দেশের অর্থনীতি

এমন দিনে তারে বলা যায়, এমন ঘন ঘোর বরিষায়।

 

এমন দিনে তারে বলা যায়, এমন ঘন ঘোর বরিষায়।

এমন দিনে তারে বলা যায়,
এমন ঘন ঘোর বরিষায়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই লাইনগুলো বৃষ্টি ভেজা প্রেমের এক আবেশময় অনুভূতি তৈরি করে। এটি তাঁর গান "এমন দিনে তারে বলা যায়", যা প্রেমিকের মনের গভীর আবেগ প্রকাশ করে, বিশেষত বর্ষার আবহে।

গল্প: ‘বর্ষার সন্ধি’


সকাল থেকেই আকাশটা কালো হয়ে ছিল। মেঘগুলো যেন জমে উঠে অপেক্ষা করছিল ঠিক সময়ের জন্য। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে না হতেই মুষলধারে বৃষ্টি নামল। শ্রাবণের এমন দিনে খোলা জানালা দিয়ে হাত বাড়িয়ে দিতে ইচ্ছে করে, বৃষ্টির ফোঁটায় মিশে যেতে ইচ্ছে করে।

তানিয়া জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকিয়ে ছিল। আজ তার ভীষণ ইচ্ছে করছিল অনিরুদ্ধকে কিছু বলার। অনেকদিন ধরে জমে থাকা অনুভূতিগুলো আজ যেন মুখ ফোটার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছে। কিন্তু সাহস হয় না!


অনিরুদ্ধ তানিয়ার পুরনো বন্ধু। একসাথে পড়াশোনা, আড্ডা, হাসি-কান্না—সব মিলিয়ে একটা সুন্দর সম্পর্ক। কিন্তু তানিয়া জানে, তার অনুভূতি বন্ধুত্বের চেয়ে বেশি। সে বুঝতে পারে, অনিরুদ্ধের সামনে এলেই তার বুক কেঁপে ওঠে, গলা শুকিয়ে যায়।

আজকের এই বর্ষার দিনে মনে হলো, "এমন দিনে তারে বলা যায়..."


দূর থেকে অনিরুদ্ধ ছাতা মাথায় আসছিল। তানিয়া ছাতা ছাড়াই বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল। সে হাত বাড়িয়ে দিলো বৃষ্টির দিকে, যেন জলকণার স্পর্শে ভয় কেটে যাবে।

অনিরুদ্ধ কাছে এসে বলল,
— “ছাতা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছো না কেন?”

তানিয়া মৃদু হেসে বলল,
— “আজ বৃষ্টিতে ভিজতে ইচ্ছে করছে।”

অনিরুদ্ধ এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইলো তার দিকে। যেন কিছু বুঝতে পারল। তারপর আস্তে করে বলল,
— “তাহলে বলো, আজ আমাকে কী বলতে চাও?”

তানিয়া ভেজা গলায় মৃদু স্বরে বলল,
— “তুমি কি জানো, এমন দিনে তারে বলা যায়?”

অনিরুদ্ধ একটু অবাক হলো, তারপর হাসল। আর সেই হাসির মধ্যে বৃষ্টির শব্দের চেয়েও মিষ্টি কিছু ছিল।

শেষ।

— এই গল্পটিতে রবীন্দ্রনাথের গানের অনুপ্রেরণায় প্রেমের একটি আবেগময় মুহূর্ত ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যেখানে বর্ষা শুধু প্রকৃতির নয়, হৃদয়েরও বৃষ্টিস্নান ঘটায়। 😊🌧️❤️



Friday, February 28, 2025

‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানে নতুন দল এনসিপি’র আত্মপ্রকাশ আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন; এ ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, ডা. তাসনিম জারা, নাহিদা সারওয়ার নিবা, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, আব্দুল হান্নান মাসউদ সেকেন্ড রিপাবলিক গড়ার প্রত্যয়

 

‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানে নতুন দল এনসিপি’র আত্মপ্রকাশ আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন; এ ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, সামান্তা শারমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, ডা. তাসনিম জারা, নাহিদা সারওয়ার নিবা, নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, আব্দুল হান্নান মাসউদ

সেকেন্ড রিপাবলিক গড়ার প্রত্যয়

Wednesday, February 26, 2025

নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ হাতাহাতি দিয়েই পথচলা শুরু

 

নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

হাতাহাতি দিয়েই পথচলা শুরু

‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট’ ও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ স্লোগান সামনে রেখে এবং ছাত্র-নাগরিকের স্বার্থ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’ নামে নতুন ছাত্র সংগঠন। কিন্তু কমিটি ঘোষণার শুরুতেই তারা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন। দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির মধ্য দিয়ে অবশেষে আত্মপ্রকাশ করেছে ছাত্রদের এই নতুন ছাত্র সংগঠন। নতুন এ সংগঠন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়কদের নিয়ে গঠিত হয়েছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক হয়েছেন আবু বাকের মজুমদার। গতকাল বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ সংগঠনের কমিটিতে পদ পাওয়া-না পাওয়া নিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েক দফা হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। ধস্তাধস্তি, পরনের কাপড় ছিঁড়ে ফেলা ইত্যাদি সঙ্ঘাতের মধ্য দিয়েই নতুন সংগঠন গড়া হলো। ছাত্র সংগঠনটির সদস্যসচিব হিসেবে জাহিদ আহসান, মুখ্য সংগঠক হিসেবে তাহমিদ আল মুদাসসির দায়িত্ব পেয়েছেন।




Sunday, February 23, 2025

ডিসি-এসপি-ওসি বাধ্যতামূলক অবসরে অধরা চার ইসি

 

ডিসি-এসপি-ওসি বাধ্যতামূলক অবসরে

অধরা চার ইসি



তারা ইতিহাসকে বদলে দিতে পারতেন। নির্মোহভাবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করলে নিজেরাও হতে পারতেন মহীয়ান। সেটি তারা করেননি। বরং প্রলুব্ধ হয়েছেন হাসিনার উচ্ছিষ্টের প্রতি। হাসিনার ফ্যাসিজমের যাত্রাপথে দীর্ঘ লাল কার্পেট বিছিয়ে দিয়েছিলেন তারা। মাফিয়াতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথকে করেছিলেন কুসুমাস্তীর্ণ। ‘নির্বাচন’ নামক বিষয়টিকেই পরিণত করেছিলেন তামাশায়। হাসিনার ডিজাইনে অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করেছিলেন রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত নির্বাচনী ব্যবস্থাকে। শুধুমাত্র হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে হাতে ধরে ধ্বংস করা হয় নির্বাচন কমিশন। অবশ্য এর বিনিময়ও পেয়েছেন এর কুশীলবরা। ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেকে হয়েছেন লাভবান। অর্থ-বিত্তে ফুলে- ফেঁপে ঢোল হন তারা। সুযোগ-সুবিধা, নিরাপত্তা, সেফ এক্সিট,দায়মুক্তিসহ সকল ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন জাতিসংঘ স্বীকৃত গণহত্যাকারী হাসিনা। যারা শেখ হাসিনাকে ‘খুনি হাসিনা’ হওয়ার ভিত্তি-ভূমি রচনা করেছিলেন সেই কুশীলবরা এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। সরকার হয়তো বাতকা বাত বলছে, হাসিনার মাফিয়াতন্ত্রের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। প্রত্যেককে বিচারের আওতায় আনা হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনে থাকা কুশীলবদের তেমন কাউকেই গত ৬ মাসে আইনের আওতায় আনা হয়নি। গ্রেফতারতো দূরের কথা। এই বিলম্বের মধ্য দিয়ে দেশবাসীর কাছে এই বার্তাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, অন্তর্বর্তী সরকার তাদের গ্রেফতার এবং বিচারের মুখোমুখি করার প্রশ্নে কালক্ষেপণ করে প্রকারান্তে ‘ছাড়’ দিচ্ছে। তাদের ‘সেফ এক্সিট’র সময় দিচ্ছে। যদিও ৫ আগস্টের পর বিগত চারটি নির্বাচন কমিশনের অনেক কর্মকর্তাই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। হাসিনা উৎখাতের পরপরই পালিয়েছেন তারা। কুশীলবদের দেশত্যাগে ইমিগ্রেশনে নিষেধাজ্ঞা হয়তো দেয়া আছে। কিন্তু এর মধ্যেই দেশত্যাগ করেছেন অনেকে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, বিগত চার নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি),সকল কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের ৫ আগস্টের পরপরই গ্রেফতার করা জরুরি ছিলো।

চার নির্বাচন কমিশনের অপরাধ কী ? : সংবিধানের ১১৮ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত নির্বাচন কমিশন। স্বভাবজাতভাবে এটি স্বাধীন সংস্থা। অনধিক চার সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত হয় কমিশন। রয়েছে নিজস্ব স্বাধীন ‘নির্বাচন কমিশন সচিবালয়’। ‘নির্বাচন কমিশন সচিব’ কমিশনের সাচিবিক দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে আ’লীগ ক্ষমতায় আরোহণ করে সংবিধানের ১১৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠার আইন করে। যার প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিলো স্বাধীন নির্বাচন কমিশনে আমলাতন্ত্রের ক্ষমতাকে সুসংহত করা। ‘নির্বাচন কমিশন আইন’ এবং ‘নির্বাচন কমিশন সচিবালয়’ আইনে নির্বাচনী অপরাধের জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী, নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত অপরাধের জন্য বিভিন্ন ধরনের শাস্তির বিধান রয়েছে। অথচ দু’টো আইনেই অস্পষ্ট রাখা হয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, কমিশন সদস্য এবং সচিবের অপরাধের শাস্তির বিষয়টি। ২০০৮-২০২৪ সাল পর্যন্ত নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হলেও ইসিকে দায়বদ্ধ করার সুস্পষ্ট বিধান থাকা প্রয়োজন। ২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকায় না থেকে বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপিকে খন্ড-বিখন্ড করার চেষ্টা, ২০১৪ সালের একতরফা ১০ম সংসদ নির্বাচন, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘দিনের ভোট রাতে’ এবং সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘আমি-ডামি’র নির্বাচন। চারটি নির্বাচনেই নির্বাচন কমিশনের দায় রয়েছে। কারণ সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশনারগণ মূলত সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করার শপথ নিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের নামক নাটক মঞ্চস্থ করে হাসিনার ক্ষমতাকে নিরঙ্কুশ করার মধ্য দিয়ে শপথ ভঙ্গ করেছেন তারা। সাংবিধানিক পদে আসীন ব্যক্তিগণ ‘শপথ আইন-১৮৭৩’র আওতায় শপথ গ্রহণ করেন। কিন্তু শপথ ভঙ্গ করলে কি শাস্তি হবে-আইনে সেটি নেই। অর্থাৎ, বিগত চারটি নির্বাচন কমিশন দল ভাঙার চেষ্টা, ভোটারবিহনী নির্বাচন, রাতের ভোট এবং যে ‘ডামি নির্বাচন’ করেছেন এ জন্য তাদের শাস্তির মুখোমুখি করা যাবে না।


Saturday, February 22, 2025

চীনের বন্ধুত্বে বহুমাত্রিক সম্ভাবনা

 উন্নয়ন, বিনিয়োগ-শিল্পায়ন, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষায় বহুমুখী গুরুত্ব চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-ঘুনধুম থেকে মিয়ানমার হয়ে চীনের কুনমিংয়ে সহজ যোগাযোগের সুবর্ণ সুযোগ : চীন ও চট্টগ্রাম বন্দরের মধ্যে সরাসরি জাহাজ চলাচলে শুভ সঙ্কেত

চীনের বন্ধুত্বে বহুমাত্রিক সম্ভাবনা


চীনের বন্ধুত্বে বহুমাত্রিক সম্ভাবনা

বিশ্ব রাজনীতিতে চীন এক গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, যার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশগুলো বহুমাত্রিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে। অর্থনীতি, প্রযুক্তি, অবকাঠামো, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে চীনের বন্ধুত্ব নানামুখী সুফল বয়ে আনতে পারে।

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য চীনের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক অর্থনৈতিক অগ্রগতির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে। ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (BRI) এর মাধ্যমে চীন উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ব্যাপক অবকাঠামোগত সহায়তা দিচ্ছে। বাংলাদেশে পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী টানেলসহ বিভিন্ন প্রকল্পে চীনের বিনিয়োগ এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

শুধু অবকাঠামো নয়, প্রযুক্তি ও শিক্ষাক্ষেত্রেও চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করছে। চীনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হাজারো বাংলাদেশি শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা নিচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও দক্ষতার বিনিময় বাড়াবে।

তবে বন্ধুত্বের এই সম্পর্ককে কেবল অর্থনৈতিক সহযোগিতায় সীমাবদ্ধ না রেখে সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককেও এগিয়ে নিতে হবে। পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং স্বার্থ সংরক্ষণ করে এই সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব।

চীনের সঙ্গে বন্ধুত্ব শুধু দ্বিপাক্ষিক নয়, বরং বৈশ্বিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করতে পারে। বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষাব্যবস্থা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে চীনের বন্ধুত্ব বিশ্ব উন্নয়নে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।

আমার আশায় আশায় দিন যে গেল, আশা পূরণ ...

  আমার আশায় আশায় দিন যে গেল, আশা পূরণ ... "আশার শেষ প্রহর" রাতের শেষ প্রহরে জানালার পাশে বসে আছে রাহাত। কফির কাপে ধোঁয়া উঠছে ধীর...